প্রিয় হবু বউ ………………….. আমার
কেমন আছ তুমি ?
কী করছ বলোতো ?
আচ্ছা তুমি এমন সার্থপর কেনো?

সেই কবে থেকে তোমাকে খুজে যাচ্ছি কিন্তু তুমি এখনও আসলে না। কোন গর্তে লুকিয়ে আছো হুম। যে গর্তেই থাকো তাড়াতাড়ি সামনে এসো। যানো তোমার জন্য কত কিছু পরিকল্পনা করে রেখেছি ?

জানবাই বা কী করে !
তুমি তো এখন অন্য ছেলের গার্লফ্রেন্ড হয়ে তার হাত ধরে ঘুরছ অথবা এমন কারও সাথে বন্ধু হয়ে আছো যে কারণে অকারণে তোমাকে পটানোর চেষ্টায় আছে অন্য কেউ।
নাকি আমার মতো একঘেয়েমি জিবন পার করো তুমিও ?

শোনো দয়া করে যা ইচ্ছা করো তবে আমার জন্য অল্প একটু ভালবাসা রেখো। প্রতি সপ্তাহে কিন্তু তোমাকে আইসক্রিম বা ফুচকা খেতে নিয়ে যাবো। আচ্ছা তোমার কোনটা ভাল লাগে? আইসক্রিম নাকি ফুচকা নাকি অন্য কিছু।

আচ্ছা চিন্তা করো না তোমার যেটা ভাল লাগে সেটাই খাওয়াবো।

রাতে তুমি যখন ঘুমাবে তখন এক নজরে তাকিয়ে থাকব তোমার ওই মায়াবি মুখখানির দিকে।

এটা ভেবে এখনই সপ্নে বিভোর থাকি আমি।
আটা ময়দা এসব মাখা হয় নাকি হুম।
দেখো এখন আটা ময়দা মাখতেছো মাখো আমার কাছে আসলে কিন্তু এগুলো হবে না। তবে তোমার বেশি সখ থাকলে মাখতে পারো।

বেড়াতে গেলে কোথায় যাও বন্ধুদের বাসায়, নাকি কোনো ছেলে সাথে । তার হাতটা ধরো কী?

মাথায় একটা বেলি ফুল গুজে দিবো আলতো করে?
তুমি আনন্দে চুমো একে দিবে আমার কপালে। দিবে তো নাকি বলবে এতো ঢং করো করো কেনো তুমি। আমাদের বিয়েটা কীভাবে হবে? ভালোবেসে পালিয়ে নাকি সবার মতামত নিয়েই। আমাকে দিয়ে কিন্তু পালিয়ে বিয়ে হবে না কিন্তু পালানোর ইচ্ছা থাকলে সব পরিকল্পনা তোমাকেই করতে হবে বুঝলা। না পারলে সারা জিবন মুড়ি খাবা পারু হয়ে।

দেখো এমনিই তোমাকে ছেড়ে অনেক দিন থেকে ফেলেছি ও থাকতেছি কিন্তু তখন একটা দিনও থাকতে পারব না তাই অযুহাত দিয়ে বাপের বাড়ি যাওয়ার ধান্দাটা কমিয়ে ফেলো। বিয়ের পরে ১০ দিন গ্রামে, ৫ দিন বৌ বাড়ি, ১৫ দিন আমার ঢাকা বাসায়। এই ভাবে দিন কেটে যাবে আমাদের।

এই তোমার কি বর্ষাতে ভিজতে ভালো লাগে নাকি লাগে না।
আমার কিন্তু লাগে।

মনের অজান্তে তোমাকে ভেবে মাঝে মাঝে অনেক ভিজি আমি।

আচ্ছা আমাদের প্রথম দেখাটা কীভাবে হবে ? বাসের পাশের সিটে, ভার্সিটিতে,কোনো অনলাইন পেজে, পার্কে নাকি সরাসরি ধানমন্ডি ?

ভার্জুয়াল রিলেশনে কিন্তু আমি অবিশ্বাসি তাই সেটার দিকে তোমার মন না দেওয়াই ভালো।

আচ্ছা আমার মতো করে কি তুমিও ভাবো নাকি অন্য ছেলেকে নিয়ে ভাবতে ব্যস্ত সময় পার করছ।

কোন জেলায় বাড়ি তোমার বলোতো ? লালমনিরহাট,,বরিশাল, রাজশাহি নাটোর নাকি আমার জেলা পটুয়াখালী , আমার প্রিয় জেলা হলো ভোলা, তুমি ভোলার হলে আমি ধন্য। যেখানেই হোক রিলেশনের প্রথম দেখাটা কিন্তু তোমাকেই করতে আসতে হবে।

প্রথম দেখা করতে গিয়ে মাইর খাওয়ার ইচ্ছা আমার নাই। সাথে যে তুমি তোমার ভাই বা প্রথম বয়ফ্রেন্ডকে আনবা না তার কী নিশ্চয়তা আছে।তুমি কি যানো তোমাকে ভেবে কতগুলো রাত ঘুমহিন কাটিয়েছি আমি । জানবে বা কি করে তুমি তো অন্য কোথাও ব্যস্ত সময় পার করছ হয়ত। সপ্ন দেখছ হয়ত ঠিকই তবে সেটা হতে পারে অন্য কাউকে নিয়ে। তবে এসব কিছুতেই আমার আপত্তি নাই কারণ যতই ভাবি বিয়েটা শেষে অন্যর গার্লফ্রেন্ডকে করতে হবে যানি তাই এসব নিয়ে সন্দেহটা বাড়াতে চাই না।কারণ সব থেকে বেশি ঘূণা করি সন্দেহ ও অবিশ্বাসকে। তবে দয়া করে একটু ভালোবাসা আমার জন্যও রেখো। আমার জীবনটা খুবই সাধারণ। তবে সপ্ন দেখি অসাধারণ কিছু করার।<

জানি পারব না তবে সপ্ন দেখতে তো আর মানা নেই তাই না।

যাই হোক যেখানেই থাকো যেভাবে থাকো একটু তাড়াতাড়ি এসো আমার জিবনে বুঝলা। তেমাকে বিহীন যে আর সময়টা কাটে না।

“বৌ ” শব্দটির উত্পত্তি কোথায় এবং কি ভাবে জানি না। বৌ বা স্ত্রী বা অর্ধাঙ্গিনী বা জীবন সাথী যাই বলি না কেন তারা আমাদের সামাজিক জীবনের অন্যতম প্রধান পরিপূরক। বৌ নিয়ে অনেক কিছু বলার আছে। অনেকে বিষয়টি এড়িয়ে যান ,অনেকে গর্ব করে প্রচার করেন আবার অনেকে বৌ নিয়ে কিছু বলতে ভয় পান। ব্যাক্তি বিশেষে বৌদের নিয়ে প্রচার প্রকাশের ধরনও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের। আজ্ আমি বৌদের নিয়েই লিখব।

সামাজিক ও ধর্মীয় মতে বৌ  বা স্ত্রী জীবন সঙ্গিনী। তাই বৌ এর সাথে যে কোনো মূল্যে সুসম্পর্ক থাকতে হবে।থাকতে হবে যথাযথ সমঝোতা।  তা না হলে সারা জীবনই বৃথা। এটা না থাকলে যেন বিবাহিত জীবনের কোনো অর্থ নেই। এখন কথা হলো আমরা কয়জন বৌ নিয়ে সুখী? কয়জন বৌদের যথাযথ মর্যাদা দেই? প্রায় সব পরিবারেই এমন ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে যা অতান্ত তিক্ত ও অবমাননাকর বা আপত্তিকর। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ব্যাক্তির জীবনের অনেক অপূর্ণতা থাকে ,বার্থতা  থাকে,নিজেকে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্ধে ভোগেন ,তাদের মধ্যে অনেকের বৌকে ছোট  করে দেখার প্রবণতা রয়েছে। আবার বৌ যদি স্বামীর থেকে বেশি বেতন পান,সামাজিক পরিমন্ডলে ক্ষমতাবান হন তখন এক ধরনের হিংসাত্মক মনোভাব কাজ করে স্বামীর আচরণে। হান্টিং টন পোস্ট এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , বৌ যদি রান্না করতে না পারেন,গাড়ি চালাতে না পারেন বা বিষয়ে দক্ষ না হন তবু ও তাকে নিয়ে রসিকতা করা ঠিক নয়।  এতে বিবাহিত জীবনের ভার সাম্য নষ্ট হয়।  বৌদের মধ্যে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো ভালো গুন আছে ,সেটা খুঁজে দেখতে হবে।

সংসার জীবন কে উপভোগ্য বা আনন্দ ময় করে উপভোগ করতে হলে পারস্পরিক শ্রধা বোধ থাকতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এর উল্টাটাই বেশি দেখা যায়। অনেক সময় আমরা এমন সব বিষয়ে বৌদের নিয়ে কথা বলি যা কিনা তার জন্য প্রচন্ড কষ্টের কারণ। অনেক স্বামী মনে করেন জীবন কে আনন্দময় করতে একটু রসিকতা করলে কষ্টের কি আছে ? কিন্তু আমরা ভেবে দেখি না যেটা আমাদের আনন্দের কারণ সেটা বৌদের জন্য কষ্ট বা অপমানের কারণ। দু একটি উদাহরণ দিলে এ জাতীয় ঘটনা আরো পরিষ্কার হবে। দেখা গেল কোনো দাওয়াত বা সামাজিক অনুষ্ঠানে স্বামী তার বৌকে উদ্দেশ্য করে বললেন, দেখেছ ,এই ভাবির রান্না কি রকম ? তার কাছে হাতে খড়ি দাও যদি কিছু শিখতে চাও। এখানে স্বামী সাহেব একবারও ভাবলেন না লোকজনের মাঝে তার বৌ কি পরিমান ছোট হয়ে গেল বা কতটা অপদস্ত হলো। আবার হয়ত দেখা গেল বাড়ি ভর্তি লোকদের সামনে স্বামী তার বৌকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ও তো অফিস বসে বসে থেকে ফুলে মত হয়ে যাচ্ছে। ঘরের কাজ একম কিছু করলে স্বাস্থ্য একটু কমতো। এছাড়া,কোনো অনুষ্ঠানে গেলে ,অন্য কোনো মহিলাকে দেখে হয়তো তার বৌকে বললেন,দেখে দেখে শেখো কিভাবে মানুষের সাথে কথা বলতে হয়, কিভাবে সাজ গোজ করতে হয়। এ ভাবে জেনে যা জেনে প্রতিনিয়তই আমরা অনেকেই বৌদের অপমান করে থাকি। স্বামীর এ ধরনের ব্যবহার তা বৌকে লোকসমাজে যেমন হেয় করে সাথে সাথে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক নষ্ট হয় ও পারস্পরিক দুরত্ব বেড়ে যায়।

দি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ,স্ত্রীরা সব চাইতে কষ্ট পান যখন স্বামী তার দুর্বল কোনো জায়গা নিয়ে অন্যের সামনে এ বিষয়ে কিছু বলেন। এসব তাদের কাছে স্বামীর নিস্ঠুর আচরণ মনে হয়। অনেক স্বামী এটাকে আড্ডায় নিজেকে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু তে আনতে এ ধরনের বিষয়ের সূত্রপাত করেন। এসব আচরণ করে আমরা এটা কখনও ভেবে দেখি না যে এতে আমরা নিজেরাও অন্যের কাছে ছোট হয়ে যাচ্ছি। স্ত্রী তার স্বামীর এ আচরণ নিয়ে তাত্ক্ষণিক কিছু না বললেও বাসায় এসে স্বামীর সাথে হয়তো ঝগড়া ঝাটি বা কথা কাটাকাটি করেন। ছেলে মেয়েদের সামনে স্বামী স্ত্রীর এসব আচরণ তাদের উপর মা বাবার সম্পর্কে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি করে। নষ্ট হয় পারস্পরিক সমঝোতা ও পারিবারিক সুখ শান্তি। সামাজিক জীবনে রসিকতার অবশ্যই  প্রয়োজন এবং তা করবেনও। কিন্তু তা একে অপরকে কষ্ট দিয়ে বা ছোট করে নয়।

অবশ বৌ এর সাথে স্বামীর এ ধরনের আচরণের বিপরীত চিত্রও দেখা যায়। স্বামী বৌকে যান প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। বৌ এর কোথায় ওঠেন বসেন। শুদ্ধ ভাষায় এটাকে ‘স্ত্রৈণ’ বলা হয়।
শেষের কথা

আপস করব বৌয়ের সঙ্গে? নইকো অমন স্বামী,
ঝগড়া হলে শেষ কথাটা আমিই বলি, আমি।
বিরতিহীন ঝগড়া শেষে বৌকে বলি ডেকে,
‘মাফ করে দাও, লক্ষ্মীসোনা’—খাটের নিচে থেকে।

ঠোঁটকাটা এক স্বামী

বৌয়ের সঙ্গে আপস করা নেইকো আমার ধাতে,
বৌ যা বলুক, জবাবটা দিই বলার সাথে সাথে।
বুকের পরে হাত রেখে কই, চোখের পরে চোখ,
কী আসে যায়? বৌ তা শুনে বেজার-খুশি হোক।
দুই হাতে দুই চাপড় মেরে রোমশ বুকের পরে,
নাড়িয়ে মাথা, চড়িয়ে গলা, গুরুগম্ভীর স্বরে,
চোখ তুলে কই, পায়ের পরে দাঁড়িয়ে সটান-সোজা,
‘আমি খুবই রাগ করেছি—তোমার উচিত বোঝা,
খুব ভয়ানক কথা একটা বলছি এখন শোনো—
আজকে তুমি তরকারিতে দেওনি লবণ কোনো।’

সব বিয়েই সুখের। পরবতী সময়ে একসঙ্গে থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা হয়।

বিয়েঃ একটি বৈধ ও ধর্মসম্মত অনুষ্ঠান যেখানে দুজন বিপরীত (সাধারণত) লিঙ্গের মানুষ পরস্পরকে জ্বালাতন করা এবং পরস্পরের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করার শপথ নেয় ততদিনের জন্য যতদিন না মৃত্যু এসে তাদেরকে আলাদা করে।

একজন পুরুষের শেষ কথা কি হওয়া উচিত? “ঠিক আছে, কিনে ফেলো”।

স্বামী আর স্ত্রী হল একটি মুদ্রার এপিঠ – ওপিঠ, একসাথে থাকলেও তারা কখনো মুখোমুখি হতে পারে না।

মেয়েরা আশা করে ছেলেরা বিয়ের পরে বদলাবে, কিন্তু তা হয় না। আর ছেলেরা আশা করে মেয়েরা বিয়ের পরেও একই রকম থাকবে, কিন্তু তারা বদলে যায়।

বিষয়টি মজার যে একটি ছেলের জীবনে যখন কোন ধরণের দুশ্চিন্তা থাকেনা, সে বিয়ে করে। এটা অনেকটা সুখে থাকতে ভূতে কিলানোর মত।

তোমার সাথে সপ্তাহে দুদিন ভালো রেস্তোঁরায় ডিনার, মৃদু আলোতে একটু বেশি গভির ভাবে প্রেম নিবেদন ।**

বিয়ে না করলে ছেলেরা সারাজীবন ধরে ভাবত, তাদের জীবনে কোন ভুল নেই।

একজন নববিবাহিত যখন বলে সে সুখি, আমরা জানি, কেন। একজন ১০ বছরের বিবাহিত মানুষ যখন বলে সে সুখি, তখনো আমরা ভাবি,  কেন ?

ছেলেটি বলেছিল মেয়েটির জন্য সে দুজখে পর্যন্ত যেতে রাজী। আল্লাহ্ তাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছেন। তাদের বিয়ে হয়েছে।

বিয়ের আগে ছেলেটি যখন মেয়েটির হাত ধরে, সেটি হচ্ছে ভালোবাসা। আর বিয়ের পরে যখন ধরে, সেটি হচ্ছে আত্মরক্ষা।

ভালবাসা হচ্ছে একটি মিষ্টি স্বপ্ন আর বিয়ে হচ্ছে এলার্মক্লক।

বিয়ে করার একটা সুবিধা হচ্ছে, তোমার ভুল – ত্রূটিগুলো আর তোমার কষ্ট করে মনে রাখার দরকার নেই। এক কাজ দুজনের করার অর্থ কি? বিবাহিত পুরুষেরা চিরকুমারদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচে। মানুষ যা চায় তা কখনোই পায় না।

বিয়ে একজন মানুষের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারও মাঝে কখনও সকল গুণ পাওয়া সম্ভব না। তবে অনেক কিছু মানিয়ে নিলেও কিছু কিছু গুণ অনিবার্য হিসেবেই পুরুষেরা খুঁজে থাকে। নিজের হবু বউয়ের মাঝে ছেলেরা যে সকল গুণ দেখতে চায়, তা জেনে নিন-

১. ছেলেরা চায় তার হবু বউ যেন তার ইগো সমস্যা বুঝে। ছেলেদের মাঝে মেজাজ খিটখিটে থাকার অভ্যাস থাকে প্রচুর। তাই তার মেজাজ বুঝে যেন স্ত্রী তার স্বামীর কথাকে প্রাধান্য দেয়ার চেষ্টা করে।
২. ছেলেরা জ্ঞানী মেয়েদের পছন্দ করে। তারা চায় তার স্ত্রীও যেন বাহিরের জগত সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখে। এতে করে তাদের সংসার সামলাতে সুবিধা হবে।
৩. জীবনসঙ্গী হিসেবে শুধুমাত্র দৈহিক সৌন্দর্য খোঁজে না পুরুষ, প্রাথমিকভাবে চোখের দেখায় ভালো লাগলেও, ‘প্রথম দর্শনে প্রেমে’ পড়ে গেলেও, চূড়ান্তভাবে কিন্তু মনের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হন তারা। যে নারী তার পৃথিবীটাকে সুন্দর করে দেখাতে পারে তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন পুরুষরা।
৪. জীবনসঙ্গীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এমনটা আশা করেন পুরুষেরা। নিজেদের আদর্শ ও মূল্যবোধের সঙ্গে যেন মিল থাকে সেদিকেও খেয়াল রেখে জীবনসঙ্গী বাছাই করেন তারা।
৫. ভবিষ্যতে স্বামীর অবর্তমানে সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব নিতে পারবেন এমন নারীদের জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন পুরুষেরা। পরনির্ভরশীল নারীদের সঙ্গে স্বল্পকালীন জীবন কাটানো যায় কিন্তু পুরো জীবন কাটাতে গেলে হাঁপিয়ে উঠতে হয়। সংসার জীবনে দুজনে হাত ধরাধরি করে চলতে পারবেন এমন দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন নারীদের জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় পুরুষেরা।

ইতি
তোমার হবু বর  পরশ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here